ভাগোড়া
জালনা গুলো সব বন্ধ
ডুকরে ওঠা মন
অলস হয়ে যাওয়া স্নায়ুতন্ত্র,
হাতের আঙ্গুল গুলো অভ্যেসবশত
গালে উঠে আসে
নাহ, জল নেই, শুকিয়ে গেছে --
যন্ত্রণার বোধ মন বুঝলেও
শরীর ব্যক্ত করে করে আজ ক্লান্ত,
নিষ্কর্মা, ব্যর্থ, প্রমাণ করলো কোরোনা।
ছোট থেকে লড়ছে ছেলেটা,
শৈশবের সাথে, একাকীত্বর সাথে,
অতি সাধারণতার সাথে।
হ্যাঁ, মস্ত বড় পাপ,
এই দুনিয়া শুধু কদর করতে জানে
ভালোবাসতে জানে না ---
হয় ছিনিয়ে নিতে হবে নয়তো পুরস্কার
বাকিদের দাম নেই,
আধার কার্ডের সংখ্যা আর ভোটার।
কেউ মনে রাখে না,
জানতে চায় না ---
সত্যকে ভয়, সুস্থ জীবন
আর দুটো খেয়ে বাঁচতে চায়।
কি চেয়েছিল? কি ছিল?
একটা ছোট ঘর, যেখানে একটু শান্তি,
খুব বড়, অন্যায় দাবি ছিল!!!
ছি ছি!! একি মেনে নেওয়া যায়?
সাধারণ তুমি, অতি সাধারণ।
তোমার জন্ম হয়েছে পিষে মরে যেতে,
হতাশায়, আশার চাপে --
জীবনে যেটুকু পাবে, বিসর্জন করতে হবে,
ভুলে যেতে হবে বেঁচে থাকার উপায়,
একটা ছোট চাকরি---
সেকি!!!
এত শখ!!! এত সয় না, কখনো হয়না!!
নিয়ে নিলো সব।
হা হা হা ---
কিরে? ভালো মানুষের ব্যাটা?
আর স্বপ্ন দেখবি জীবনে সুখী হবার?
খবরদার যদি ভেবেছিস ---
পচে মর, খেটে মর, না খেয়ে মর।
জানবি, তোকে কেউ ভালোবাসে না, কেউ চায়না,
স্বার্থ যতদিন আছে, ততদিন।
বিছানাটা খালি হয়ে গেল,
সকালে পেটে ভাত নেই --
তাই রাতেও কোন ইজ্জত নেই,
তার মনে বাস করে কোন জনা ?
তা তো সে জানা ছিল না,
ভেবে দেখার কথা মনেই হয়নি কখনো।
কিন্তু মরতে বড় ভয়,
সেতো মধ্যবিত্ত, পাছে লোকে কি বলে?
খেতে না পেলে কেউ খোঁজ নেয়না,
বউ পালালে লুকিয়ে হাসে,
তবুও কেউ তো কিছু বলে না---
কিন্তু মরে গেলে?
তখন তো বলবে "ভীতু" ছিল ছোট থেকেই,
সেই শেষ অব্দি পালিয়ে গেল।